
যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে ডেমোক্র্যাটদের বিশাল জয় প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের রাজনৈতিক নীতি ও কৌশলগত অবস্থানের ওপর বড় ধরনের ধাক্কা হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে। দীর্ঘ সময় ধরে মার্কিন রাজনীতির মাঠে ট্রাম্পের যে একচ্ছত্র প্রভাব ও বলয় গড়ে উঠেছিল, কংগ্রেসের এই নির্বাচনের বিপুল ব্যবধানের ফল সেটিতে বড় ধরনের চিড় ধরার স্পষ্ট বার্তা দিচ্ছে। ডেমোক্র্যাটিক পার্টির এই সাফল্যের ঢেউ শুধু তাঁদের ঐতিহ্যগত এলাকাতেই সীমাবদ্ধ থাকেনি, বরং রিপাবলিকানদের দীর্ঘদিনের শক্ত ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত একাধিক অঙ্গরাজ্যেও ছড়িয়ে পড়েছে। দুবার ট্রাম্পকে হোয়াইট হাউসে পৌঁছে দেয়া ভোটার জোটের ওপরও তাঁর আগের মতো নিয়ন্ত্রণ আর নেই। ফলে ট্রাম্পের নিজস্ব ভোটব্যাংকে যে ভাঙন ধরেছে, তা নিশ্চিত হওয়া গেছে। শিকাগোর সাবেক ডেমোক্র্যাট মেয়র ও যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক রাষ্ট্রদূত রাহম ইমানুয়েল বলেন, ‘সবচেয়ে বড় ঘটনা হলো, মাগা-সমর্থক নন এমন রিপাবলিকানরা তাঁদের দল থেকে সরে এসেছেন।
নিউ ইয়র্ক টাইমস বুধবার (৪ নভেম্বর) তাদের বিশেষ প্রতিবেদনে উল্লেখ করে, মধ্যবর্তী নির্বাচনের প্রচার চলাকালে ট্রাম্প সমর্থকদের প্রতি বারবার আহ্বান জানিয়ে আসছিলেন। তিনি ভোটারদের উদ্দেশে স্পষ্টভাবে বলেছিলেন, ‘এমনভাবে ভোট দিন, যেন ব্যালটে আমার নাম আছে।’ বিশেষ করে চলতি বছরের শরতে তিনি বিভিন্ন সভা-সমাবেশ ও রাজনৈতিক কর্মসূচিতে অন্তত ৪৭ বার এই একই কথার পুনরাবৃত্তি করেছিলেন। ট্রাম্পের রাজনৈতিক কৌশলের মূল লক্ষ্য ছিল এই নির্বাচনকে তাঁর গত দুই বছরের শাসনকাল ও গৃহীত নীতির ওপর এক ধরনের জাতীয় গণভোটে রূপ দেওয়া। তবে ফলাফলে দেখা যাচ্ছে, সেই গণভোটে ট্রাম্প নিজের কাঙ্ক্ষিত সাফল্য পাননি, বরং তা তাঁর বিরুদ্ধে জনগণের তীব্র অসন্তোষ প্রকাশের প্রধান হাতিয়ারে পরিণত হয়েছে। সীমান্ত বন্ধ করার প্রতিশ্রুতিও দিয়েছিলেন তিনি।
‘হিস্টোরিক মিডটার্ম রাউট সার্ভস অ্যাজ আ সুইপিং রিপিউক অব ট্রাম্প এরা’ শীর্ষক বিশ্লেষণাত্মক নিবন্ধে মার্কিন রাজনীতির বর্তমান প্রেক্ষাপট বিশদভাবে তুলে ধরা হয়েছে। এই বিশেষ বিশ্লেষণটির লেখক পিটার বেকার, যিনি নিউ ইয়র্ক টাইমসের হোয়াইট হাউসবিষয়ক প্রধান সংবাদদাতা হিসেবে দায়িত্বরত আছেন। পিটার বেকার দীর্ঘ চার দশক ধরে মার্কিন রাজনৈতিক ঘটনাপ্রবাহ খুব কাছ থেকে পর্যবেক্ষণ করছেন এবং তিনি ১৯৮৬ সালে জীবনের প্রথম মধ্যবর্তী নির্বাচন কাভার করেছিলেন। তাঁর মতে, মার্কিন ইতিহাসে ট্রাম্পের আগে অন্য কোনো প্রেসিডেন্ট মধ্যবর্তী নির্বাচনকে নিজের ব্যক্তিগত জনপ্রিয়তা ও শাসনক্ষমতার মূল্যায়নের জন্য এতটা ঝুঁকিপূর্ণ এবং সরাসরি পরীক্ষায় পরিণত করেননি।
ভোটারদের মধ্যে ট্রাম্প প্রশাসনের বিভিন্ন সিদ্ধান্তের কারণে গভীর ক্ষোভ ও অসন্তোষ সৃষ্টি হয়েছিল, যা সরাসরি ব্যালট বাক্সে প্রতিফলিত হয়েছে। দেশে জ্বালানির অস্বাভাবিক উচ্চমূল্য, ইরানের সাথে দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধ পরিস্থিতি এবং আন্তর্জাতিক উত্তেজনার কারণে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রায় বড় ধরনের চাপ তৈরি হয়। একই সাথে ট্রাম্প ও তাঁর অত্যন্ত ঘনিষ্ঠজনদের বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার করে ব্যক্তিগতভাবে বিপুল অর্থ উপার্জনের যে মারাত্মক অভিযোগ উঠেছিল, তা মার্কিন নাগরিকদের তীব্রভাবে ক্ষুব্ধ করেছিল। এখন সেই সিদ্ধান্তের মূল্য দিতে হচ্ছে তাঁকে। পরিবর্তনের প্রতিশ্রুতি দিয়ে ক্ষমতায় আসা একজন বহিরাগত নেতার ওপর যারা একসময় আস্থা রেখেছিলেন, তাঁদের অনেকেই এবার তাঁর দলকে প্রত্যাখ্যান করেছেন। অনেক ভোটার জরিপকারী ও সাক্ষাৎকার গ্রহণকারীদের বলেছেন, ট্রাম্প তাঁদের প্রতিশ্রুতি দিয়ে ঠকিয়েছেন। ভোক্তাদের খরচ বাড়িয়ে দেয়া শুল্কনীতির বিরুদ্ধেও তাঁদের ক্ষোভ তৈরি হয়েছে।
তবে নির্বাচনী এলাকার সীমানা পুনর্নির্ধারণের মতো জটিল প্রক্রিয়ার কারণে জাতীয়ভাবে প্রাপ্ত এই বিপুল ভোটের ব্যবধান সরাসরি প্রতিনিধি পরিষদের আসন সংখ্যায় পুরোপুরি একই অনুপাতে প্রতিফলিত নাও হতে পারে। নিজেদের সুবিধামতো নির্বাচনী এলাকার সীমানা সাজিয়ে নেয়ায় এখন বিরোধী দলের পক্ষে অন্য দলের আসন কেড়ে নেয়া আগের চেয়ে কঠিন। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, সীমানার এই কৃত্রিম বাধা সত্ত্বেও ডেমোক্র্যাটদের পক্ষে জনসমর্থনের এই বিশাল তোড় মার্কিন রাজনীতিতে এক বিশাল ও দৃশ্যমান পরিবর্তনের সুস্পষ্ট সংকেত দিচ্ছে। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের হাতে এখনো দুই বছর মেয়াদী প্রশাসনিক ক্ষমতা বহাল থাকলেও, কংগ্রেসে এই নতুন বাস্তবতার কারণে তিনি মেয়াদের বাকি সময়ে যেকোনো নীতি বাস্তবায়নে নজিরবিহীন প্রতিবন্ধকতার মুখোমুখি হবেন। গ্রিয়ার বলেন, ‘প্রেসিডেন্ট এখন কীভাবে প্রতিক্রিয়া দেখাবেন, তা আমরা জানি না।
সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটনের অভিজ্ঞ রাজনৈতিক পরিচালক ডগলাস বি. সোসনিক এবারের প্রতিটি রাজনৈতিক ঘটনাপ্রবাহ ও নির্বাচনী গতিপ্রকৃতির ওপর অত্যন্ত গভীরভাবে নজর রেখেছিলেন। নির্বাচন পরবর্তী পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করতে গিয়ে তিনি সরাসরি বলেন, ‘এটি মূলত ট্রাম্প, রিপাবলিকান পার্টি এবং গত দুই বছরে তারা যা করেছে, তার প্রতি ভোটারদের স্পষ্ট প্রত্যাখ্যান।’ সোসনিক মনে করেন, মধ্যবর্তী নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার পরদিন থেকেই যুক্তরাষ্ট্রের মূল রাজনৈতিক ধারায় নতুন এক অধ্যায়ের সূচনা ঘটেছে। আগামী দুই বছর হবে বহুমুখী প্রশাসনিক পরিবর্তনের সময় এবং এই সময়ে গৃহীত সিদ্ধান্তগুলোই ২০২৭ সাল পরবর্তী মার্কিন রাজনীতির দীর্ঘমেয়াদী ভবিষ্যৎ গতিপথ সম্পূর্ণভাবে নির্ধারণ করে দেবে। ২০২৭ সালে আমরা কী করব, তার ওপরই সেটি নির্ভর করছে।’।
অন্যদিকে, নির্বাচনে নিজস্ব শিবিরের এহেন ভয়াবহ ভরাডুবির পরও প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প সম্পূর্ণ ভিন্ন কৌশল অবলম্বন করে নিজ অবস্থান ধরে রাখার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। ডেমোক্র্যাটিক পার্টির বিপুল জয়কে নিজের ভাবমূর্তি বা তাঁর নিজস্ব নেতৃত্বের ওপর জনগণের অনাস্থা বলে স্বীকার করতে তিনি সাফ অস্বীকার করেন। তিনি দাবি করেছেন, ডেমোক্র্যাটদের এই বিশাল সফলতা আসলে কোনোভাবেই তাঁর বিরুদ্ধে মার্কিন ভোটারদের চূড়ান্ত রায় হতে পারে না। মঙ্গলবার রাতে সরাসরি নিউ ইয়র্ক টাইমসকে দেওয়া এক বিস্ফোরক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প নিজের অবস্থান ব্যাখ্যা করে বলেন, ‘আমি সরাসরি ব্যালটে ছিলাম না। আর আমি ব্যালটে না থাকার কারণেই পর্যাপ্ত মানুষকে ভোটকেন্দ্রে নিয়ে আসা ও উপস্থিতি নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি।’
ট্রাম্পের এই দাবির জবাবে রাজনৈতিক বিশ্লেষক থেকে শুরু করে স্বয়ং রিপাবলিকান পার্টির ভেতরেও ব্যাপক অসন্তোষ ও বিরক্তি ছড়িয়ে পড়েছে। কারণ, এই পুরো নির্বাচনী প্রচারের মূল উপাদান, কৌশল ও প্রতিটি কর্মসূচি সরাসরি ট্রাম্পকে কেন্দ্র করেই সাজানো হয়েছিল। তিনি নিজের দলের প্রার্থীদের কাছ থেকে নিঃশর্ত আনুগত্য দাবি করেছিলেন এবং প্রতিটি নির্বাচনী মঞ্চেই নিজের দুই বছরের অর্জনকে মূল আলোচনার বিষয় বানিয়েছিলেন। এ ছাড়া ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণার সিদ্ধান্ত, দেশে পেট্রল ও ডিজেলের অস্বাভাবিক দাম বৃদ্ধি এবং ক্ষমতার অপব্যবহার করে ব্যক্তিগত সম্পদ বাড়ানোর অভিযোগগুলো রাজনৈতিকভাবে মোকাবিলা না করায় সাধারণ মানুষের মধ্যে দুর্নীতি নিয়ে উদ্বেগ দিন দিন বাড়ছিল, যা তিনি বরাবরই এড়িয়ে যেতে চেয়েছেন। তাঁর এই বক্তব্য শুনে অনেক রিপাবলিকানও বিরক্তি প্রকাশ করবেন। তাঁর কাছ থেকে দূরত্ব তৈরির সাহস অনেক রিপাবলিকান প্রার্থী দেখাতে পারেননি। তুলনামূলক বেশি জয়ের সম্ভাবনা থাকা প্রার্থীদের বাদ দিয়ে তিনি কেন প্যাক্সটন ও ডারলিন গ্রাহামকে বেছে নিয়েছিলেন, এখন সেই সিদ্ধান্ত নিয়েও প্রশ্ন উঠছে।
নির্বাচনের মাত্র একদিন আগে দেওয়া ট্রাম্পের সমাপনী বক্তব্যেও সাধারণ জনগণের চরম বাস্তবতা ও তাঁর নিজস্ব রাজনৈতিক চিন্তাভাবনার মধ্যে এক বড় ধরনের বিচ্ছিন্নতা ফুটে ওঠে। দেশে জীবনযাত্রার অনিয়ন্ত্রিত ব্যয়বৃদ্ধি নিয়ে মানুষের যখন চরম ক্ষোভ ছিল, তখন ট্রাম্প ওয়াশিংটনে নিজের পছন্দের কিছু বিলাসবহুল নির্মাণ প্রকল্প নিয়ে অন্ধের মতো কথা বলে গেছেন। অথচ ভোটারদের কাছ থেকে এ ধরনের কাজের বিরুদ্ধে নেতিবাচক সংকেত আগেই পাওয়া গিয়েছিল। যদিও এই ধাক্কায় তাঁর দলভিত্তিক ‘ট্রাম্পবাদ’ আন্দোলন কিছুটা ব্যাকফুটে চলে গেছে, তবুও ওয়াশিংটনের প্রেসিডেন্টের সর্বময় ক্ষমতা ট্রাম্পের হাতেই থেকে যাচ্ছে এবং সেই ক্ষমতা প্রয়োগ করে নিজের আধিপত্য টিকিয়ে রাখার লড়াই তিনি থামাবেন না। জীবনযাত্রার বাড়তি ব্যয় নিয়ে মানুষের উদ্বেগ কমানোর পরিকল্পনার কথা বলার বদলে তিনি ওয়াশিংটনের রিফ্লেক্টিং পুলের সামনে দাঁড়িয়ে শেওলা ও পানির পাইপ নিয়ে কথা বলেন।
রক্ষণশীল অর্থনৈতিক নীতি নিয়ে নিবিড়ভাবে কাজ করা ঐতিহ্যবাহী প্রভাবশালী সংস্থা ‘ক্লাব ফর গ্রোথ’-এর বর্তমান প্রেসিডেন্ট ডেভিড ম্যাকিনটোশ বিদ্যমান পরিস্থিতিতে ভিন্ন এক মতামত প্রকাশ করেন। তিনি সতর্ক করে বলেন, ‘ট্রাম্পের কট্টর সমালোচকেরা আগেও একাধিকবার তাঁর রাজনৈতিক অবসান ও মৃত্যুর ভবিষ্যৎবাণী করেছিলেন, যা প্রতিবারই ভুল প্রমাণিত হয়েছে।’ তাঁর মতে, রিপাবলিকানদের দ্রুত রাজনৈতিকভাবে ঘুরে দাঁড়াতে হলে মার্কিন মূলনীতিতে অবিলম্বে ফেরত আসতে হবে। ২০২৮ সালের পরবর্তী জাতীয় নির্বাচনে বড় সাফল্য পেতে হলে রিপাবলিকান পার্টির জন্য সেই পথ অনুসরণ করা ছাড়া আর কোনো দ্বিতীয় বিকল্প খোলা নেই।
মার্কিন নির্বাচনের দীর্ঘ ইতিহাস পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, ওয়াটারগেট কেলেঙ্কারির নজিরবিহীন রাজনৈতিক বিতর্কের পর ১৯৭৪ সালের ঐতিহাসিক নির্বাচনে ডেমোক্র্যাটরা যখন বিশাল রাজনৈতিক জয় পেয়েছিল, তখন প্রথমবার কংগ্রেসে নির্বাচিত হয়েছিলেন প্রবীণ রাজনীতিক জেমস ব্ল্যানচার্ড। তৎকালীন রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা ধারণা করেছিলেন, রিপাবলিকানরা হয়তো বহুকাল আর দেশের রাষ্ট্রক্ষমতায় ফিরতে পারবে না। কিন্তু পরবর্তী ইতিহাস সেই ধারণাকে পুরোপুরি ভুল প্রমাণ করেছিল। একইভাবে ১৯৯৪ সালে ক্লিনটনের আমলে এবং ২০১০ সালে ওবামার আমলে রিপাবলিকানদের বিশাল সাফল্যকেও সেই দুই প্রেসিডেন্টের প্রশাসনিক আমলের সমাপ্তি বলে ধরে নেওয়া হয়েছিল, যদিও তারা উভয়ই দুবছর পর আবারও দাপটের সাথে পুনর্নির্বাচিত হয়েছিলেন।
আমেরিকান রাজনীতি ও জননীতি বিষয়ে গভীর গবেষণারত ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (লস অ্যাঞ্জেলেস ক্যাম্পাস) বিশিষ্ট অধ্যাপক লিন ভ্যাভরেক বর্তমান পরিস্থিতি মূল্যায়ন করতে গিয়ে এক গভীর পর্যবেক্ষণ তুলে ধরেছেন। তিনি মনে করেন, এই নির্বাচনে মার্কিন ভোটারদের সবচেয়ে বড় বার্তাটি স্পষ্ট হয়ে গেছে। লিন ভ্যাভরেক জোর দিয়ে বলেন, ‘এর অর্থ কখনোই এটি নয় যে ট্রাম্পের মাগা (MAGA) জোট পুরোপুরি ভেঙে পড়েছে বা চুরমার হয়ে গেছে। তবে ডোনাল্ড ট্রাম্পের ব্যক্তিগত রাজনৈতিক বলয় ও আধিপত্যের ওপর যে অভূতপূর্ব ধাক্কা লেগেছে, তা মার্কিন রাজনৈতিক ইতিহাসে এক নতুন যুগের সূচনা করল।’
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক : শিরিন জাহান, সম্পাদক ও প্রকাশক : ফেরদৌস আহমদ,,
সহযোগী সম্পাদক : আহমাদ আর রাফি রাতুল, আহমাদ আর রাফি রাহী।
মেইল: editor@kongstime.com
মোবাইল: 01567927369
Copyright © 2026 kongsotime.com. All rights reserved.