
যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের সহকারী উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা পদের নিয়োগ পরীক্ষায় প্রশ্নফাঁসের ঘটনায় তীব্র ক্ষোভ ও প্রতিবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ যুব ফ্রন্ট। সংগঠনের কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক রাশেদ শাহরিয়ার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার নিন্দা জানিয়ে সংশ্লিষ্টদের শাস্তির আওতায় আনার দাবি তুলেছেন। পরীক্ষা শুরুর মাত্র দুই মিনিটের মাথায় ওএমআর শিট ফিরিয়ে নেওয়া এবং হুট করে পরীক্ষা স্থগিত করার বিষয়টি চরম অব্যবস্থাপনার পরিচয় দেয় বলে মনে করছে সংগঠনটি।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা অসংখ্য চাকরিপ্রার্থী ঢাকায় এসে এই পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিলেন। পরীক্ষার কয়েক মুহূর্তের মধ্যে ওএমআর শিট কেড়ে নিয়ে পরীক্ষা বাতিলের সিদ্ধান্তে পরীক্ষার্থীরা চরম আর্থিক, শারীরিক ও মানসিক ভোগান্তির শিকার হয়েছেন। গণঅভ্যুত্থান-পরবর্তী সময়েও নিয়োগ পরীক্ষায় প্রশ্নফাঁস ও অব্যবস্থাপনার পুনরাবৃত্তি ইঙ্গিত দেয় যে, পুরনো অনিয়ম ও দুর্নীতির সংস্কৃতি থেকে এখনো বেরিয়ে আসা সম্ভব হয়নি। এই অদক্ষতার দায় কোনোভাবেই চাকরিপ্রার্থীদের ওপর চাপানো যায় না।
পরিস্থিতি মোকাবিলায় বাংলাদেশ যুব ফ্রন্ট তিনটি সুনির্দিষ্ট দাবি উত্থাপন করেছে। প্রথমত, প্রশ্নফাঁসের অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত সাপেক্ষে দায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। দ্বিতীয়ত, পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে এসে ক্ষতিগ্রস্ত ও হয়রানির শিকার বেকার পরীক্ষার্থীদের উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ দিতে হবে। তৃতীয়ত, দেশের তরুণ চাকরিপ্রার্থীদের হয়রানি ও রাজধানীমুখী হওয়া কমাতে ভবিষ্যতে নিয়োগ পরীক্ষার কেন্দ্র বিভাগীয় ও জেলা শহরগুলোতে সম্প্রসারণ করার আহ্বান জানানো হয়েছে।
সংগঠনটি আরও উল্লেখ করে যে, বেকার তরুণদের দীর্ঘদিনের এই দুর্ভোগ ও অনিশ্চয়তা নিরসনে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা জরুরি। নিয়োগ পরীক্ষায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে ও পরীক্ষার্থীদের অধিকার রক্ষায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অবিলম্বে কার্যকর উদ্যোগ নিতে হবে বলে জানিয়েছে যুব ফ্রন্ট।





