
বাংলাদেশের চলচ্চিত্রের জীবন্ত কিংবদন্তি অভিনেত্রী শবনম বর্তমানে রাজধানীর বারিধারার পার্ক রোডের নিজ বাসভবনে সময় অতিবাহিত করছেন। বিগত কয়েক দশক ধরে কর্মব্যস্ত জীবন পার করার পর এখন ঘরোয়া পরিবেশেই কাটছে তাঁর দিনকাল। অভিনেত্রী জানান, নিয়মিত টেলিভিশন দেখা, পত্রিকা পড়া এবং ফেসবুকের মাধ্যমে দেশ-বিদেশের খবরাখবর রাখার পাশাপাশি মাঝে মাঝে বিভিন্ন সামাজিক আমন্ত্রণে যোগ দেওয়া কিংবা দেশের বাইরে ভ্রমণের মধ্যেই তিনি ব্যস্ততা খুঁজে নেন।
তবে প্রখ্যাত সংগীত পরিচালক স্বামী রবিন ঘোষের মৃত্যুর পর থেকে নিজেকে অনেকটাই গৃহবন্দী করে নিয়েছেন এই অভিনেত্রী। এখন আর মন চাইলেও আগের মতো বাইরে বের হতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন না তিনি। বয়সের কারণে শরীরও আগের মতো সায় দিচ্ছে না, প্রায়শই বিভিন্ন শারীরিক অসুস্থতায় ভোগেন তিনি। সেই কারণে চলচ্চিত্রে ফেরার সম্ভাবনা নেই বললেই চলে বলে জানান এই গুণী শিল্পী। প্রসঙ্গত, কাজী হায়াৎ পরিচালিত ‘আম্মাজান’ সিনেমাটি ছিল তাঁর অভিনীত সর্বশেষ চলচ্চিত্র। চলতি বছর তাঁকে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে ‘আজীবন সম্মাননা’ দেওয়ার জন্য রাষ্ট্রীয় প্রজ্ঞাপন জারি হলেও এখন পর্যন্ত আনুষ্ঠানিক পুরস্কার প্রদানের কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।
অনেকের ধারণা ছিল শবনম হয়তো একাকী জীবন যাপন করবেন, কিন্তু তাঁর একমাত্র সন্তান রনি সব সময় মায়ের পাশে থেকেছেন। বিদেশের মাটিতে নিজের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ গড়ার সুযোগ থাকলেও মায়ের সেবা ও দেখভাল করতে তিনি দেশেই অবস্থান করছেন। রনির বিষয়ে গর্বিত শবনম বলেন, ‘মা হিসেবে রনিকে নিয়ে আমি অত্যন্ত গর্বিত। বর্তমান সময়ের প্রেক্ষাপটে রনি আমার কাছে সোনার টুকরো ছেলে। সে আমাকে বিন্দুমাত্র কষ্ট করতে দেয় না এবং মায়ের প্রতি তার অগাধ টান রয়েছে। আমার এই আদরের ছেলের জন্য আমি সবার কাছে দোয়া চাই।’
ছেলের সাহচর্যই তাঁর জীবনের অধিকাংশ সময় পূর্ণ করে রাখে বলে জানান শবনম। তিনি মনে করেন, সন্তানকে পাশে পাওয়া যেকোনো মায়ের জন্যই পরম সৌভাগ্যের বিষয়। একান্ত ব্যক্তিগত জীবনে মা ও ছেলের এই নিবিড় বন্ধনই এখন তাঁর জীবনের বড় আশ্রয়।
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক : শিরিন জাহান, সম্পাদক ও প্রকাশক : ফেরদৌস আহমদ,,
সহযোগী সম্পাদক : আহমাদ আর রাফি রাতুল, আহমাদ আর রাফি রাহী।
মেইল: editor@kongstime.com
মোবাইল: 01567927369
Copyright © 2026 kongsotime.com. All rights reserved.