
নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জের বসুরহাট পৌরসভার সাবেক মেয়র আবদুল কাদের মির্জা, তাঁর স্ত্রী আখতার জাহান বকুল এবং ছেলে মির্জা মাশরুর কাদের তাশিকের বিরুদ্ধে ৩ কোটি ৫২ লাখ ৫৪ হাজার ৯৫ টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে তিনটি মামলা দায়ের করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন নোয়াখালী জেলা জজ আদালতের পুলিশ পরিদর্শক মোহাম্মদ ইদ্রিস।
গত সোমবার দুদক নোয়াখালী সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক চিন্ময় চক্রবর্তী বাদী হয়ে এই মামলাগুলো করেন। দুর্নীতি দমন কমিশন আইন ২০০৪-এর ২৭(১) ধারা এবং দণ্ডবিধির ১০৯ ধারায় এই অভিযোগ আনা হয়েছে। কাদের মির্জা কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার সভাপতি এবং দলটির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও পলাতক আসামি ওবায়দুল কাদেরের ছোট ভাই।
দুদকের তথ্য অনুযায়ী, ১৯৯৯ থেকে ২০০১ এবং ২০১১ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত বসুরহাট পৌরসভার মেয়র থাকাকালীন ক্ষমতার অপব্যবহার করে কাদের মির্জা ১ কোটি ১৯ লাখ ৯৬ হাজার ৯৫০ টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জন করেন। অন্যদিকে, কোনো বৈধ আয়ের উৎস না থাকা সত্ত্বেও গৃহিণী আখতার জাহান বকুলের নামে স্থাবর ও অস্থাবর মিলিয়ে ১ কোটি ৫০ লাখ ৮৩ হাজার ৪০০ টাকার অবৈধ সম্পদের তথ্য পাওয়া গেছে। এছাড়াও কাদের মির্জার ছেলে মির্জা মাশরুর কাদেরের নামে ৮১ লাখ ৭৩ হাজার ৭৪৫ টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ শনাক্ত হয়েছে।
তদন্তকারী কর্মকর্তা চিন্ময় চক্রবর্তী জানিয়েছেন, কমিশনের অনুমোদন পাওয়ার পরেই এসব মামলা নথিভুক্ত করা হয়েছে। তদন্তের প্রক্রিয়ায় এই ঘটনার সঙ্গে অন্য কারো সম্পৃক্ততা পাওয়া গেলে তাদের বিরুদ্ধেও যথাযথ আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানানো হয়েছে। অনুসন্ধানকারী কর্মকর্তা ও মামলার বাদী চিন্ময় চক্রবর্তী জানান, কমিশন থেকে অনুমোদনের পরই তিনটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।





