
মধ্যপ্রাচ্যের বিদ্যমান সামরিক পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে সৌদি আরবে নিজেদের সামরিক উপস্থিতির বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকার করেছে পাকিস্তান। ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহীদের ক্রমবর্ধমান হামলা ও আঞ্চলিক নিরাপত্তার ঝুঁকি মোকাবিলায় পাকিস্তান, সৌদি আরব ও তুরস্কের মধ্যকার 'মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি' (এমজেডিএ) পূর্ণমাত্রায় বাস্তবায়নের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
গত সোমবার রিয়াদে অনুষ্ঠিত তিন দেশের উচ্চপর্যায়ের এক জরুরি বৈঠকে অবিলম্বে যৌথ সামরিক সক্ষমতা সৌদি আরবে মোতায়েনের এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বৃহস্পতিবার যৌথ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বিষয়টি জানানো হয়েছে। এর আগে, গত ৭ আগস্ট এই প্রতিরক্ষা চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়েছিল, যা দেশগুলোর দীর্ঘদিনের কূটনৈতিক ও সামরিক সম্পর্কের প্রতিফলন বলে আইএসপিআর জানিয়েছে। বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) যৌথ বিজ্ঞপ্তির বরাতে জানা যায়, সোমবার (৫ অক্টোবর) রাতে রিয়াদে আয়োজিত এক জরুরি বৈঠকে তিন দেশের যৌথ সামরিক সক্ষমতা অবিলম্বে সৌদি আরবে মোতায়েনের এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
পাকিস্তানের সামরিক বাহিনীর গণমাধ্যম শাখা আইএসপিআরের মহাপরিচালক লেফটেন্যান্ট জেনারেল আহমেদ শরীফ চৌধুরী বুধবার মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন-কে বলেছেন, কয়েক দশক ধরেই বিভিন্ন সক্ষমতায় পাকিস্তানি সেনারা সৌদি আরবে দায়িত্ব পালন করছে। আইএসপিআর মহাপরিচালকের দাবি, এই প্রতিরক্ষা সমঝোতা কোনো আকস্মিক সিদ্ধান্ত নয়, বরং দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনার অংশ।
এদিকে, সৌদি সীমান্ত রক্ষা এবং ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা ঠেকানোর জন্য পাকিস্তান ৩০ থেকে ৪০ হাজার সেনা পাঠিয়েছে বলে রয়টার্সের একটি প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছিল। তবে পাকিস্তানের তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় এই তথ্যকে ‘অনুমানভিত্তিক’ হিসেবে উড়িয়ে দিয়েছে। ইসলামাবাদ কর্তৃপক্ষ স্পষ্ট করেছে যে, ইয়েমেনের ভূখণ্ডে সরাসরি কোনো সেনা পাঠানোর পরিকল্পনা তাদের নেই।
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক : শিরিন জাহান, সম্পাদক ও প্রকাশক : ফেরদৌস আহমদ,,
সহযোগী সম্পাদক : আহমাদ আর রাফি রাতুল, আহমাদ আর রাফি রাহী।
মেইল: editor@kongstime.com
মোবাইল: 01567927369
Copyright © 2026 kongsotime.com. All rights reserved.