
রাজধানীর ইসিবি চত্বরের কাছে দক্ষিণ মানিকদীর নিউগিনি প্রপার্টিজে সশস্ত্র দুর্বৃত্তদের তাণ্ডব, গুলিবর্ষণ ও লুটপাটের ঘটনা ঘটেছে। এই ঘটনায় কনটেন্ট ক্রিয়েটর সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং সেখানকার কর্মীদের মারধর করা হয়েছে। ঘটনার পর ২৬ সেপ্টেম্বর (শনিবার) রাতে সাংবাদিকদের কাছে ক্ষোভ প্রকাশ করে সালমান মুক্তাদির বলেন, তিনি বাংলাদেশের আইনে বিশ্বাস করেন না এবং এ বিষয়ে তিনি অনেকটাই নাস্তিক। তিনি কেবল আনুষ্ঠানিকতার খাতিরে একটি মামলা দায়ের করার কথা জানিয়েছেন। জানা গেছে, ওই হাউজিং সোসাইটির অফিস থেকে প্রায় এক কোটি টাকা লুটের অভিযোগ উঠেছে। আমার পক্ষ থেকে কোনো পদক্ষেপ না, ফরমালিটির জন্য একটা মামলা করবো।
সালমান মুক্তাদির জানান, তিনি চট্টগ্রাম থেকে ফিরেই এই ঘটনার খবর পেয়েছেন। তার মতে, বাংলাদেশে বর্তমানে যা কিছু ঘটছে, তা মূলত রাজনীতিরই অংশ। তিনি বলেন, ব্যক্তিগত আক্রোশের চেয়েও এখানে রাজনৈতিক অস্থিরতার প্রভাব বেশি। ক্ষয়ক্ষতির বিষয়ে তিনি বলেন, ক্লায়েন্টদের অনেক কাজ ও মূল্যবান জিনিসপত্র স্টুডিওতে ছিল। সেখানে অন্তত ৩০ থেকে ৪০ জন ক্লায়েন্টের প্রজেক্ট ও ফুটেজ খোয়া যাওয়ায় বড় ধরনের ক্ষতির আশঙ্কা করছেন তিনি। তবে আইনি পরামর্শ ছাড়া এখনই আর্থিক ক্ষতির সুনির্দিষ্ট পরিমাণ জানানো সম্ভব নয় বলে জানিয়েছেন এই কনটেন্ট ক্রিয়েটর। সেখানে ৩০-৪০ জন ক্লায়েন্টের সবকিছু নিয়ে গেলে কতটা ক্ষতি হতে পারে, সেটা সহজেই বোঝা যায়।
নিজেকে অযোগ্য নাগরিক হিসেবে আখ্যা দিয়ে সালমান মুক্তাদির বলেন, পরিস্থিতি যাই হোক না কেন, তিনি তার সৃষ্টিশীল কাজ চালিয়ে যাবেন। তিনি বলেন, আই উইল বি সালমান মুক্তাদির। আমাকে থামিয়ে রাখা সম্ভব নয়। হয়তো আগের মতো গুছিয়ে কাজ করা সম্ভব হবে না, কিন্তু প্যাশন থেকে বিচ্যুত হবেন না। এমনকি প্রয়োজনে দেশের বাইরে থেকেও নিজের কনটেন্ট তৈরির কাজ চালিয়ে যাবেন বলে দৃঢ় সংকল্প ব্যক্ত করেছেন তিনি।
এই ঘটনার জন্য নিজের ব্যর্থতা স্বীকার করে তিনি আরও বলেন, বর্তমানে যা কিছু হচ্ছে তা শুধু একটি দেশের নয়, বরং প্রত্যেক মানুষের ব্যর্থতা। একইসঙ্গে তিনি বড় পদে থাকা ব্যক্তিদের উদ্দেশ্য করে বলেন, যদি আমি নিজের ব্যর্থতা স্বীকার করার সাহস দেখাতে পারি, তবে নীতিনির্ধারক ও রাজনৈতিক নেতারাও তাদের অযোগ্যতা স্বীকার করার মানসিকতা দেখাতে পারেন। কর্মীদের মনোবল ধরে রাখতে তিনি নিজেই ভেঙে না পড়ার সংকল্প করেছেন এবং কাজের ধারা অব্যাহত রাখার ঘোষণা দিয়েছেন। তিনি আরও বলেন, আমি যদি এখন ইমোশনালি ভেঙে পড়ি—আমার কর্মীরা, আমার মেম্বাররা, আমার যত পার্টনাররা সবাই ভেঙে পড়বে, এটা আমি চাই না।
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক : শিরিন জাহান, সম্পাদক ও প্রকাশক : ফেরদৌস আহমদ,,
সহযোগী সম্পাদক : আহমাদ আর রাফি রাতুল, আহমাদ আর রাফি রাহী।
মেইল: editor@kongstime.com
মোবাইল: 01567927369
Copyright © 2026 kongsotime.com. All rights reserved.