১১ আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

৯ হাজার মুখোশ ও ককটেল সরঞ্জামসহ আটক ১

Published: September 25, 2026, 9:26 pm

রাজধানীর উপকণ্ঠ দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের বাগাশুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে ককটেল তৈরির সরঞ্জাম ও নয় হাজার পিস কাগজের মুখোশ উদ্ধার করেছে শ্যামপুর মডেল থানা পুলিশ। এই ঘটনায় জাহিদ হাসান ইমন (৩০) নামে একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার মো. আকতার হোসেন শুক্রবার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। মূলত গত ১৯ সেপ্টেম্বর যাত্রাবাড়ী থানার সামনে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনার সূত্র ধরে ছায়া তদন্তে নেমে পুলিশ এই সাফল্য পায়। রাজধানীর পাশে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জে অভিযান চালিয়ে ককটেল তৈরির বিভিন্ন সরঞ্জাম ও ৯ হাজার পিস কাগজের মুখোশ উদ্ধার করেছে শ্যামপুর মডেল থানা পুলিশ। ২৫ সেপ্টেম্বর (শুক্রবার) ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) মো. আকতার হোসেন গণমাধ্যমকে এ তথ্য জানান। তদন্তের একপর্যায়ে জাহিদ হাসান ইমনের সংশ্লিষ্টতার বিষয়ে তথ্য ও সাক্ষ্য-প্রমাণ পাওয়া যায়।

অভিযানে ইমনের কাছ থেকে ককটেল তৈরির উপাদান হিসেবে দেড় কেজি কস্টিক সোডা, এক কেজি ছয়শ গ্রাম সালফার, পাঁচ কেজি মার্বেল ও দুই কেজি তারকাঁটা জব্দ করা হয়েছে। এছাড়া বিশটি লাল ও এগারোটি কালো কস্টেপ, নয় হাজার পিস মুখোশ এবং ৩০ প্যাকেট ইলাস্টিক উদ্ধার করা হয়। অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে ব্যবহৃত এসব উপকরণ গুঁড়ো করার কাজে একটি ব্লেন্ডার ও জারও পুলিশ জব্দ করেছে। জিজ্ঞাসাবাদে ইমন জানিয়েছে, লালবাগের এক নেতার নির্দেশে অজ্ঞাত এক ভ্যানচালকের মাধ্যমে এসব মুখোশ তার কাছে এসেছিল। পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তার ইমনের বিরুদ্ধে আগে থেকেই শাহবাগ ও লালবাগ থানায় দুটি মামলা রয়েছে। যাত্রাবাড়ী ও শ্যামপুর থানা পুলিশের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় তাকে আটক করা সম্ভব হয়। গ্রেপ্তারের পর ইমনের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে তার কাছ থেকে ককটেল তৈরিতে ব্যবহৃত ১ কেজি ৫০০ গ্রাম কস্টিক সোডা, ১ কেজি ৬০০ গ্রাম সালফার, ৫ কেজি মারবেল, ২ কেজি ১ ইঞ্চি তারকাঁটা, লাল কস্টেপ ২০টি ও কালো কস্টেপ ১১টি উদ্ধার করা হয়।