২০ আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর ওপর হামলার ঘটনায় রাশেদ খাঁনের ব্যাখ্যা

Published: October 5, 2026, 11:05 am

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর ওপর হামলা ও গাড়ি ভাঙচুরের ঘটনার সাথে বিএনপি বা দলের কোনো অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা জড়িত নন বলে স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী মো. রাশেদ খাঁন। রোববার (৪ অক্টোবর) রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে এক পোস্টে তিনি এ কথা উল্লেখ করেন। রোববার (৪ অক্টোবর) রাতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নিজের ভেরিফায়েড আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে এমনটা দাবি করেন তিনি। এই ঘটনার সঙ্গে কুষ্টিয়া বিএনপির নেতাকর্মীদের কোনো সম্পৃক্ততা নেই। একজন নেতা প্রশাসনকে অবহিত না করে যত্রতত্র চলাফেরা করতে পারেন।

রাশেদ খাঁন জানান, কুষ্টিয়ার লালন শাহের মাজার থেকে ফেরার পথে এনসিপির নেতাকর্মীদের সাথে স্থানীয় কতিপয় ব্যক্তির বাকবিতণ্ডার সূত্রপাত হয়। বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পরপরই পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। তবে পুলিশের উপস্থিতির বিষয়টি উল্লেখ করে রাশেদ খাঁন কিছু প্রশ্ন তুলেছেন। তার ভাষ্যমতে, নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী পুলিশি নিরাপত্তা পাওয়ার পর সেখান থেকে গাড়ি পরিবর্তন করে দ্রুতগতিতে স্থান ত্যাগ করেন। এর আগে ঝিনাইদহের একটি ঘটনায় তিনি তাৎক্ষণিকভাবে থানায় আশ্রয় নিলেও কুষ্টিয়ার ক্ষেত্রে কেন পুলিশের চোখ ফাঁকি দিয়ে তিনি দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করলেন, তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন প্রধানমন্ত্রীর এই সহকারী। তিনি আরও লিখেন, এ বিষয়ে কুষ্টিয়ার স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তা ও বিএনপির নেতাদের সঙ্গে কথা বলেছি। বিষয়টি নিয়ে এক ধরনের সন্দেহ থেকে যায়।

উল্লেখ্য যে, গত ৪ অক্টোবর সন্ধ্যা সোয়া ৭টার দিকে কুষ্টিয়ার কুমারখালীর ছেঁউড়িয়ায় অবস্থিত লালন শাহের মাজার প্রাঙ্গণে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর ওপর হামলার ঘটনা ঘটে। এ সময় তার বহনকারী গাড়িটিও ভাঙচুরের শিকার হয় বলে অভিযোগ রয়েছে। পরে রাত ৮টার দিকে পুলিশ এবং স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী মাজার এলাকা থেকে নিরাপদে স্থান ত্যাগ করেন। পুরো বিষয়টি নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে বিভিন্ন আলোচনা চলছে এবং রাশেদ খাঁনের ফেসবুক পোস্টটি সেই ঘটনার প্রেক্ষাপটে বেশ গুরুত্ব পাচ্ছে। সেখানে গিয়ে মাজারে অবস্থানরত পাগলদের সঙ্গে বেশ সময় কাটিয়েছে। যাইহোক, ঘটনা জানতে পেরে পুলিশ সঙ্গে সঙ্গে উপস্থিত হয়।