
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব এডভোকেট রুহুল কবীর রিজভী অভিযোগ করেছেন, দেশের বাইরে পালিয়ে থাকা ফ্যাসিস্টরা রাষ্ট্রকে অস্থিতিশীল করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে এবং এদেশের অভ্যন্তরে লুকিয়ে থাকা তাদের সহযোগীরা এই ষড়যন্ত্রে ইন্ধন জোগাচ্ছে। বুধবার নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দল আয়োজিত এক প্রতিবাদ সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিলে তিনি এসব কথা বলেন।
জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধির অজুহাতে একটি পক্ষের রাজপথে নামার সমালোচনা করে রিজভী বলেন, বৈশ্বিক সংকটের মধ্যেও সরকার দেশের অর্থনীতি রক্ষার চেষ্টা করছে। অথচ জামায়াত এক হাজার গাড়ি নিয়ে লংমার্চ করছে। এত বিপুল পরিমাণ জ্বালানি অপচয় না করলে দেশের সম্পদ সাশ্রয় হতো। তিনি আরও বলেন, ১৭ বছর ধরে যে বাকস্বাধীনতা ছিল না, বর্তমানে বিরোধী দলগুলো তা নির্বিঘ্নে ভোগ করছে। বর্তমান সরকার সীমিত সম্পদের সর্বোচ্চ ব্যবহারের মাধ্যমে জনগণের সেবা করে যাচ্ছে।
শেখ হাসিনার বিগত আমলের সঙ্গে বর্তমান প্রধানমন্ত্রীর তুলনা করে বিএনপির এই নেতা বলেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যেখানে দেড়শ থেকে দুইশ লোক নিয়ে বিদেশে সফরে যেতেন, সেখানে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী মাত্র ৩৫ জন সফরসঙ্গী নিয়ে জাতিসংঘ অধিবেশনে গেছেন এবং পাঁচ-ছয় দিনের মধ্যেই দেশে ফিরবেন। এটিই মূলত জনগণের অর্থ সাশ্রয় এবং দেশের প্রতি ভালোবাসার প্রমাণ।
বিএনপি ও তাদের জোটের লক্ষ্য দেশের সামর্থ্য বৃদ্ধি করা উল্লেখ করে রিজভী বলেন, আগামী দিনে তারেক রহমানের সরকার প্রান্তিক ও গরিব মানুষের স্বার্থ রক্ষায় ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষক কার্ডের মতো কল্যাণমুখী কর্মসূচি বাস্তবায়ন করবে। সমাবেশে অন্যান্যদের মধ্যে বিএনপির স্বেচ্ছাবিষয়ক সম্পাদক মীর সরফত আলী সপু, স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি জিলানী মিল্টন এমপি, সাধারণ সম্পাদক ও নৌ প্রতিমন্ত্রী রাজিব আহসানসহ বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: রিজভী বলেন, ‘জ্বালানির দাম বৃদ্ধি পেয়েছে দাবি করে সড়কে নেমেছে একটি পক্ষ। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: অথচ, জামায়াত ১ হাজার গাড়ি নিয়ে লংমার্চ করছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: বিরোধী দল এখন যেভাবে নির্বিঘ্নে কথা বলছে, এটা ১৭ বছর করা যায়নি। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: কিন্তু পৃথিবীর অনেক দেশেই সংকট চলছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: বিরোধী দলের যারা বড় বড় কথা বলছেন, তাঁদের খবরের কাগজ পড়া উচিত।





