
নাটোরের বড় হরিশপুর চেয়ারম্যানপাড়া এলাকায় শিশু বায়েজিদ (৭)-এর আঙুল কেটে ফেলার অভিযোগে এক পুলিশ কনস্টেবল ও তার স্ত্রীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার রাতে মামলার পরপরই নিজ বাসা থেকে তাদের আটক করা হয় এবং শুক্রবার সকালে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। আহত বায়েজিদ নাটোর পুলিশ লাইনস স্কুলের প্রথম শ্রেণির শিক্ষার্থী এবং স্থানীয় ব্যাংক কর্মকর্তা মাহমুদুল হাসান মিলনের ছেলে। নাটোরে শিশুর আঙুল কেটে দেওয়ার মামলায় অভিযুক্ত পুলিশ সদস্য ও তার স্ত্রীকে আটক করে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। তারা নাটোর শহরের বড় হরিশপুর পশ্চিম চেয়ারম্যানপাড়া এলাকার বাদীর বাড়ির দ্বিতীয় তলায় ভাড়া বাসায় থাকতেন।
মামলা সূত্রে জানা যায়, গত বুধবার সন্ধ্যায় বাড়িতে আয়োজিত একটি পিকনিকে অভিযুক্ত দম্পতির পাঁচ বছর বয়সী মেয়ে ইবনাতের সঙ্গে বায়েজিদের ধাক্কাধাক্কির ঘটনা ঘটেছিল। ওই সময় উভয় পরিবারের পক্ষ থেকে বিষয়টি মীমাংসা করে দেওয়া হলেও বৃহস্পতিবার সকালে ফের বিষয়টি নিয়ে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। অভিযোগ অনুযায়ী, ঘটনার জেরে পুলিশ কনস্টেবল মো. শাকিল (৩৮) ও তার স্ত্রী মোসা. নাসরিন (৩২) বায়েজিদকে ধরে নিয়ে বটি দিয়ে তার ডান হাতের একটি আঙুল কেটে বিচ্ছিন্ন করে দেন। এজাহারে বলা হয়, বুধবার সন্ধ্যায় বাড়িতে ভাড়াটিয়াদের নিয়ে একটি পিকনিকের আয়োজন করা হয়। পিকনিক চলাকালে অভিযুক্ত দম্পতির মেয়ে ইবনাতের(৫) সঙ্গে বায়েজিদের (৭) ধাক্কাধাক্কি হয়।
এই বর্বরোচিত ঘটনায় শিশুটি গুরুতর আহত হলে তার বাবা মাহমুদুল হাসান মিলন বাদী হয়ে নাটোর সদর থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। পুলিশ কনস্টেবল শাকিল নাটোর পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে কর্মরত ছিলেন। পুলিশ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনসুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, মামলা হওয়ার পরপরই বড় হরিশপুর চেয়ারম্যানপাড়ার ভাড়া বাসা থেকে অভিযুক্ত দম্পতিকে গ্রেফতার করা হয়। বর্তমানে শিশুটি চিকিৎসাধীন রয়েছে এবং এ বিষয়ে আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।





