
ফুটবল মাঠের অসামান্য নৈপুণ্য প্রদর্শন এবং মানবিক কাজের মাধ্যমে বিশ্বজুড়ে প্রভাব ফেলার স্বীকৃতি হিসেবে মর্যাদাপূর্ণ ‘প্রিন্সেস অব আস্তুরিয়াস ক্রীড়া পুরস্কার’ অর্জন করেছেন লিওনেল মেসি। দীর্ঘদিনের ফুটবল ক্যারিয়ারে মাঠের ভেতর একের পর এক কীর্তি গড়ার পাশাপাশি সমাজসেবামূলক কাজে তার নিরন্তর প্রচেষ্টার এই অনন্য স্বীকৃতি তাকে নিয়ে গেছে নতুন উচ্চতায়। জুরিবোর্ড মেসির অর্জনের দীর্ঘ তালিকার পাশাপাশি তার মানবিক মূল্যবোধকেও বিশেষ গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করেছে। জুরিবোর্ড তাকে ‘সর্বকালের সবচেয়ে সফল ফুটবলার’ বলার পাশাপাশি তার সামাজিক কাজেরও প্রশংসা করে। সেই উচ্ছ্বাস যেন পৌঁছে যায় তার জন্মভূমি আর্জেন্টিনাতেও। তাকে একনজর দেখতে বাইরে ভিড় জমান শত শত মানুষ। অন্য পুরস্কারজয়ীদের পাশাপাশি মেসিকে ঘিরেই ছিল দর্শকদের বিশেষ আগ্রহ। ফুটবল ক্যারিয়ারে চারবার চ্যাম্পিয়নস লিগ, একবার বিশ্বকাপ ও দুবার কোপা আমেরিকা জিতেছেন মেসি। এ ছাড়া বিশ্ব ফুটবলের অসংখ্য রেকর্ডের মালিক তিনি।
পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠানটি ছিল অত্যন্ত জাঁকজমকপূর্ণ। স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৬টা ১০ মিনিটের দিকে, নির্ধারিত সময়ের প্রায় ২০ মিনিট আগেই মেসি সরকারি গাড়িতে করে থিয়েটারে এসে পৌঁছান। তার আগমনকে ঘিরে উপস্থিত দর্শকদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনা লক্ষ্য করা যায়। থিয়েটারে প্রবেশের পরপরই উপস্থিত বিশিষ্ট অতিথিবৃন্দ করতালির মাধ্যমে তাকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান। এই সম্মাননা মেসির ক্রীড়া জীবনের অন্যতম একটি স্মরণীয় মুহূর্ত হয়ে রইল। তার এই অর্জন ফুটবলপ্রেমীদের জন্য যেমন আনন্দের, তেমনি তরুণ প্রজন্মের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে। বৃহস্পতিবার স্পেনের ওভিয়েদো শহরের কাম্পোআমার থিয়েটারে আয়োজিত এক আড়ম্বরপূর্ণ অনুষ্ঠানে তার হাতে এই পুরস্কার তুলে দেন রাজকুমারী লিওনর। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন স্পেনের রাজা ষষ্ঠ ফেলিপে ও রানি লেতিসিয়া।





