
ওয়ানডে ক্রিকেটের ইতিহাসে ডাবল সেঞ্চুরি মানেই এক অবিস্মরণীয় অর্জন।
কিন্তু সেই কীর্তি গড়েও যখন দল পরাজিত হয়, তখন ব্যক্তিগত অর্জনের সেই আনন্দ অনেকটাই ফিকে হয়ে যায়। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে দুর্দান্ত ব্যাটিংয়ে দ্রুততম ডাবল সেঞ্চুরির রেকর্ড গড়েও দিনশেষে হাসিমুখে মাঠ ছাড়তে পারেননি ইংল্যান্ডের অধিনায়ক হ্যারি ব্রুক। তাঁর অপরাজিত ২০২ রানের মহাকাব্যিক ইনিংস সত্ত্বেও ৪৩০ রানের বড় লক্ষ্য তাড়া করে শ্রীলঙ্কা শেষ পর্যন্ত ২ উইকেটে জয় তুলে নেয়। ম্যাচ পরবর্তী প্রতিক্রিয়ায় ব্রুক আক্ষেপ করে বলেন, এমন অসাধারণ ব্যক্তিগত সাফল্যের পরও হারার কারণে এই ইনিংসের কোনো বিশেষ মূল্য তাঁর কাছে নেই। কাল ম্যাচ শেষে ব্রুক বলেন, ‘এটা ভালো লাগার মতো অর্জন।
ওয়ানডে ফরম্যাটে ডাবল সেঞ্চুরি করেও ম্যাচ হারার ঘটনা এই প্রথম। এর আগে ডাবল সেঞ্চুরি করা কোনো ব্যাটারকে কখনো হারতে হয়নি। তবে ডাবল সেঞ্চুরির খুব কাছাকাছি পৌঁছেও ম্যাচ হারের নজির অতীতে বেশ কয়েকটি রয়েছে। হ্যারি ব্রুকের আগে এই বিব্রতকর তালিকার শীর্ষে ছিলেন জিম্বাবুয়ের চার্লস কভেন্ট্রি। ২০০৯ সালে বাংলাদেশের বিপক্ষে তিনি অপরাজিত ১৯৪ রান করেও দলকে জয় এনে দিতে ব্যর্থ হন। আগেই বলা হয়েছে, ডাবল সেঞ্চুরি করে এর আগে কেউ ম্যাচ হারেনি।
তালিকার পরবর্তী নামগুলোর মধ্যে রয়েছে পাকিস্তানের ফখর জামান, যিনি ২০২১ সালে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ১৯৩ রান করেও হারের তিক্ত স্বাদ পান। এছাড়া স্কটল্যান্ডের জর্জ মানসি ২০২৫ সালে নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে ১৯১ রান সংগ্রহ করার পরেও দল হার থেকে বাঁচতে পারেনি। ২০০৭ সালে অস্ট্রেলিয়ার ম্যাথু হেইডেন নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে অপরাজিত ১৮১ রান করেও জয়ের দেখা পাননি। ব্রুকের জন্য এই রেকর্ডটি এখন এক নতুন বিষাদের গল্পের নাম হয়ে দাঁড়িয়েছে।





