১৬ কার্তিক, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

খারাপ ফলের প্রতিষ্ঠানে জবাবদিহিতা নিশ্চিতের নির্দেশ শিক্ষামন্ত্রীর

Published: November 1, 2026, 5:33 pm

চলতি বছরের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় যেসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ফলাফল হতাশাজনক কিংবা শূন্য পাসের হার, সেসব প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়েছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। রোববার বিকেলে নিজের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দেয়া এক পোস্টে তিনি এই নির্দেশনার কথা জানান। মন্ত্রী জানিয়েছেন, আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে এই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর বিষয়ে সুনির্দিষ্ট ও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে। জানা যায়, সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর বিরুদ্ধে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে এক সপ্তাহের সময় বেঁধে দিয়েছেন তিনি। এই সময়ের মধ্যে এ প্রতিষ্ঠানগুলোর ব্যাপারে সুনির্দিষ্ট পদক্ষেপ গ্রহণের নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

শিক্ষা খাতের সামগ্রিক মানোন্নয়ন এবং যেসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ফলাফল অত্যন্ত শোচনীয়, সেগুলোর ওপর তদারকি বাড়াতেই মন্ত্রণালয় এই উদ্যোগ নিয়েছে। সংশ্লিষ্টদের লক্ষ্য হলো, দুর্বল ফলাফলের জন্য দায়ী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে অবিলম্বে জবাবদিহিতার আওতায় আনা।

চলতি বছরের পাবলিক পরীক্ষার পরিসংখ্যান অনুযায়ী, এবার ২৯৩টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে একজন শিক্ষার্থীও পাস করতে পারেননি। গত বছর এই সংখ্যা ছিল ২০২টি। অর্থাৎ, বিগত বছরের তুলনায় শতভাগ অকৃতকার্য প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ৯১টি বৃদ্ধি পেয়েছে। অন্যদিকে, ১৩৯টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শতভাগ শিক্ষার্থী উত্তীর্ণ হয়েছেন।

এবারের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় মোট ১২ লাখ ৪০ হাজার ৭৯৮ জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেছিল। এর মধ্যে ৬ লাখ ৪৬ হাজার ৬৮৫ জন শিক্ষার্থী কৃতকার্য হয়েছে, যা মোট পরীক্ষার্থীর ৫২.১২ শতাংশ। উত্তীর্ণদের মধ্যে জিপিএ-৫ পেয়েছে ৪০ হাজার ৮৪ জন শিক্ষার্থী। সেই হিসাবে পরীক্ষায় অংশ নেয়া শিক্ষার্থীদের মধ্যে পাসের হার ৫২.১২ শতাংশ।