
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে দায়ের করা একটি মামলায় লেখক ও অধ্যাপক মুহম্মদ জাফর ইকবাল এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য এ এস এম মাকসুদ কামালসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে। আজ রোববার বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এ আদেশ প্রদান করেন। ট্রাইব্যুনালের অপর দুই সদস্য হলেন বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদ ও বিচারক মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী। আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, আগামী ২২ অক্টোবরের মধ্যে এই পাঁচ আসামিকে গ্রেপ্তার করে ট্রাইব্যুনালে হাজির করতে হবে।
গ্রেপ্তারি পরোয়ানাভুক্ত অন্য তিনজন হলেন নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সভাপতি সাদ্দাম হোসেন, সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালী আসিফ ইনান এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি মাজহারুল কবির শয়ন। একই মামলায় অন্য আট আসামির মধ্যে সাবেক বিচারপতি এ এইচ এম শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক আ ক ম জামাল উদ্দীন এবং ছাত্রলীগের ঢাবি শাখার সাধারণ সম্পাদক তানভীর হাসান সৈকত বর্তমানে কারাগারে রয়েছেন। তাদের সবাইকে আগামী ২২ অক্টোবর ট্রাইব্যুনালে হাজির করার জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এদিন রাষ্ট্রপক্ষের প্রসিকিউটর এস এম মইনুল করিম ট্রাইব্যুনালে আট আসামির বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল করেন। শুনানিকালে প্রসিকিউশন পক্ষ দাবি করে, জুলাই গণ-অভ্যুত্থান চলাকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও এর আশপাশের এলাকায় পাঁচজনকে জীবনহানির ঘটনার সঙ্গে এসব আসামিরা জড়িত ছিলেন। মামলার চিফ প্রসিকিউটর শুনানিতে অধ্যাপক জাফর ইকবালকে নিয়ে তীব্র সমালোচনা করে তাকে ‘জ্ঞানপাপী’ ও ‘শিক্ষক নামের কলঙ্ক’ বলে অভিহিত করেন। এই মামলার পরবর্তী কার্যক্রমের জন্য আগামী ২২ অক্টোবর নির্ধারিত রয়েছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: জাফর ইকবাল, মাকসুদ কামালসহ ৮ আসামির বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল।





