
নাটোরের বড়াইগ্রামে মাছ ব্যবসায়ীকে জিম্মি করে চাঁদা আদায়ের অভিযোগে বিএনপি নেতাসহ চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গত শুক্রবার রাতে উপজেলার চৌমুহন এলাকা থেকে তাদের আটক করা হয় এবং শনিবার তাদের আদালতে সোপর্দ করে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে রয়েছেন চৌমুহন গ্রামের মৃত ওয়াজেদ আলীর ছেলে ও স্থানীয় বিএনপি নেতা মো. রুবেল হোসেন ওরফে ফ্রান্স রুবেল (৪০), একই এলাকার দেলোয়ার হোসেনের ছেলে হারুন অর রশিদ (৩২), চরগোবিন্দপুর গ্রামের জিয়াউদ্দিন আহমেদের ছেলে সাগর আহম্মেদ ওরফে সোহান হোসেন (২৮) এবং সোহাগ হোসেন (৩০)।
ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী আনিছুর রহমানের করা মামলার এজাহার থেকে জানা যায়, গত ৩০ আগস্ট মাছ বিক্রির প্রলোভন দেখিয়ে তাকে কৌশলে চৌমুহন গ্রামে ডেকে নেন অভিযুক্তরা। সেখানে পৌঁছানোর পর তাকে একটি বাড়িতে জিম্মি করে মারধর করা হয়। এক পর্যায়ে আসামিরা তার কাছে তাৎক্ষণিকভাবে সাত লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন এবং প্রতি মাসে ৫০ হাজার টাকা করে চাঁদা দেওয়ার জন্য চাপ প্রয়োগ করেন। জিম্মি অবস্থায় তার কাছ থেকে জোরপূর্বক ৩ লাখ ৬০ হাজার টাকা নগদ আদায় করা হয়। পরবর্তীকালে তিনি মুক্ত হয়ে থানায় অভিযোগ দায়ের করেন।
মামলায় প্রধান অভিযুক্ত করা হয়েছে জোনাইল ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী ও বিএনপি নেতা সাব্বাব হক সাবুকে। পুলিশ জানিয়েছে, প্রধান অভিযুক্ত সাব্বাব হক বর্তমানে পলাতক রয়েছেন। বড়াইগ্রাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শফিকুল ইসলাম নিশ্চিত করেছেন যে, গ্রেপ্তারকৃত চারজনকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে এবং মামলার অন্য জড়িতদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: পরে তিনি সেখান থেকে ছাড়া পেয়ে থানায় মামলা করেন।





