
ইউক্রেন ও রাশিয়ার চলমান যুদ্ধে বাংলাদেশসহ মোট ২৯টি দেশের নাগরিকদের পাচার ও তাদের দিয়ে জোরপূর্বক যুদ্ধচুক্তিতে সই করানোর প্রমাণ পেয়েছে জাতিসংঘ। ভুক্তভোগী এসব ব্যক্তিদের রাশিয়ায় পৌঁছানোর পরপরই পাসপোর্ট কেড়ে নেওয়া হতো। এরপর রুশ ভাষায় লিখিত নথিতে স্বাক্ষর করতে বাধ্য করে সরাসরি তাদের ইউক্রেন যুদ্ধের অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ সম্মুখসারিতে মোতায়েন করা হতো। এতে অনেক বিদেশি নাগরিক হতাহত হওয়ার পাশাপাশি নিখোঁজও হয়েছেন। ভুক্তভোগী পরিবারগুলো এখন ঋণের ভারে জর্জরিত হয়ে চরম অনিশ্চয়তার মধ্যে দিনাতিপাত করছে। রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে বাংলাদেশসহ ২৯ দেশের নাগরিক পাচার ও তাদের যুদ্ধচুক্তিতে জোরপূর্বক সই করানোর প্রমাণ পেয়েছে জাতিসংঘ। এরপর তাদের সরাসরি ইউক্রেনের যুদ্ধক্ষেত্রের ঝুঁকিপূর্ণ সম্মুখসারিতে পাঠানো হয়, যার ফলে অনেকে নিহত, আহত বা নিখোঁজ হয়েছেন। রাশিয়ায় পৌঁছানোর পর প্রতারণার শিকার এই পুরুষদের পাসপোর্ট কেড়ে নেওয়া হতো এবং রুশ ভাষায় লেখা সামরিক চুক্তিতে স্বাক্ষর করতে বাধ্য করা হতো।
জাতিসংঘের তদন্ত কমিশন এই মানবপাচার চক্রের বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়ে রুশ কর্তৃপক্ষকে অবিলম্বে বেআইনি নিয়োগ প্রক্রিয়া বন্ধ এবং দোষীদের শাস্তির আওতায় আনার কঠোর আহ্বান জানিয়েছে। বিষয়টি নতুন কিছু নয়, এর আগে ২০২৫ সালের নভেম্বরে ব্র্যাকের পক্ষ থেকেও রাশিয়ার যুদ্ধক্ষেত্রে বাংলাদেশি নাগরিকদের জোরপূর্বক পাঠানোর বিষয়ে সতর্ক করা হয়েছিল। নিয়মিত নজরদারি ও আন্তর্জাতিক চাপে এখন এই ভয়ংকর মানবপাচারের বিষয়টি নতুন করে সামনে এলো।





