৮ কার্তিক, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মধ্যপ্রাচ্যে আরও রণতরী পাঠাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র, বাড়ছে উদ্বেগ

Published: October 23, 2026, 11:44 pm

মধ্যপ্রাচ্যে বিদ্যমান ক্রমবর্ধমান সামরিক উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে নিজের উপস্থিতি আরও শক্তিশালী করতে উদ্যোগী হয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। পেন্টাগন কর্তৃক নেওয়া সাম্প্রতিক সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ইউএসএস থিওডোর রুজভেল্ট বিমানবাহী রণতরীর স্ট্রাইক গ্রুপ এবং ১৩তম মেরিন এক্সপেডিশনারি ইউনিট ওই অঞ্চলে মোতায়েন করা হচ্ছে। ফক্স নিউজের তথ্যমতে, এই রণতরী বহরটি চলতি বছরের নভেম্বরের শেষ নাগাদ মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ডের (সেন্টকম) আওতাধীন এলাকায় পৌঁছানোর কথা রয়েছে। মঙ্গলবার মার্কিন কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে ফক্স নিউজ এ তথ্য জানিয়েছে।

এর আগে ১ অক্টোবর দ্য জেরুজালেম পোস্টের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছিল, মার্কিন সেন্টকমের অভিযান এলাকায় বিমানবাহী রণতরী এবং মেরিন সেনাদের একটি বিশেষ ইউনিট পাঠানোর প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। ওই সময়ে ইউএসএস মাকিন আইল্যান্ড অ্যাম্ফিবিয়াস রেডি গ্রুপ সান দিয়েগো থেকে যাত্রা শুরু করে, যার অন্তর্ভুক্ত ছিল ১৩তম মেরিন এক্সপেডিশনারি ইউনিট। ইউএস নেভাল ইনস্টিটিউটের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমান অঞ্চলে থাকা ইউএসএস জর্জ ওয়াশিংটনের স্থলাভিষিক্ত হওয়ার লক্ষ্যেই ইউএসএস থিওডোর রুজভেল্ট ওই অঞ্চলের দিকে অগ্রসর হচ্ছে। কাতার, তুরস্ক, পাকিস্তান ও ইন্দোনেশিয়ার ঐতিহাসিক ‘বদর’ প্রতিরক্ষা চুক্তি স্বাক্ষর।

বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্যের এই অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের দুটি বিমানবাহী রণতরী অবস্থান করছে। এর মধ্যে এপ্রিলে পৌঁছানো ইউএসএস জর্জ এইচ ডব্লিউ বুশ এবং আগস্ট মাসে ইউএসএস আব্রাহাম লিংকনের স্থলাভিষিক্ত হওয়া ইউএসএস জর্জ ওয়াশিংটন অন্যতম। এ ছাড়া আরব সাগরে ইউএসএস বক্সার অ্যাম্ফিবিয়াস রেডি গ্রুপও মোতায়েন রয়েছে। এই গ্রুপের সঙ্গে ১১তম মেরিন এক্সপেডিশনারি ইউনিট, ইউএসএস পোর্টল্যান্ড এবং ইউএসএস কমস্টক সক্রিয়ভাবে দায়িত্ব পালন করছে।

উল্লেখ্য, ইউএসএস থিওডোর রুজভেল্টের এই মোতায়েন প্রক্রিয়া মধ্যপ্রাচ্য অঞ্চলে মার্কিন সামরিক কৌশল এবং বিদ্যমান ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতির পরিবর্তনের একটি অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে। পেন্টাগনের এই পদক্ষেপ ওই অঞ্চলে ওয়াশিংটনের সামরিক সক্ষমতা ও নজরদারি আরও বৃদ্ধি করবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।