১৭ আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ম্যানচেস্টার সিটির আর্থিক অনিয়ম: প্রয়োজনে ব্যবস্থা নেবে ইংলিশ এফএ

Published: October 2, 2026, 4:49 pm

প্রিমিয়ার লিগের আর্থিক নিয়ম লঙ্ঘনের দায়ে ম্যানচেস্টার সিটি দোষী সাব্যস্ত হওয়ার পর প্রথমবারের মতো মুখ খুলেছে ইংল্যান্ড ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন (এফএ)। সংস্থাটি জানিয়েছে, স্বাধীন কমিশনের এই রায় ফুটবলের স্বচ্ছতার জন্য অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। এই পুরো বিষয়টিকে তারা গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করছে এবং পরিস্থিতি অনুযায়ী পরবর্তী সময়ে যথাযথ আইনি ও দাপ্তরিক পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে নিশ্চিত করেছে। আজ ইংলিশ ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা বলেছে, ‘আমরা এই সিদ্ধান্ত এবং এর প্রভাব গভীরভাবে খতিয়ে দেখছি এবং প্রয়োজন অনুযায়ী যথাযথ পদক্ষেপ নেব।’। এ ছাড়া অভিযোগের বিষয়ে রায় হলেও এখনো শাস্তি ঘোষণা করা হয়নি। শিরোপা যাবে, নাকি অবনমন—সিটির সামনে কী শাস্তি।

ঘটনাটি সামনে আসে গত মঙ্গলবার, যখন প্রিমিয়ার লিগ কর্তৃপক্ষ নিশ্চিত করে যে ২০০৯-১০ থেকে ২০১৭-১৮ মৌসুমের মধ্যে আর্থিক বিধিমালা ভঙ্গের ১১৫টি অভিযোগের মধ্যে ১১৪টিতেই ম্যানচেস্টার সিটি দোষী সাব্যস্ত হয়েছে। ম্যানচেস্টার সিটি শুরু থেকেই এই অভিযোগগুলো অস্বীকার করে আসছে। শুক্রবারের মধ্যে তাদের এই রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করার সুযোগ রয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত কোনো শাস্তির ঘোষণা আসেনি, যা আলাদা শুনানির মাধ্যমে নির্ধারণ করা হবে।

মামলা চলমান থাকায় বিস্তারিত মন্তব্য করা থেকে বিরত থেকে এফএ জানিয়েছে, তারা পুরো প্রক্রিয়ার দিকে কড়া নজর রাখছে। এদিকে বিবিসি স্পোর্টসের তথ্যমতে, সিটির কর্তৃপক্ষ আপিলে দাবি করতে পারে যে তাদের মূল স্পনসরশিপ চুক্তির অর্থ ক্লাবের মালিকদের পরিবর্তে আবুধাবি সরকার জোগান দিয়েছিল। স্বাধীন প্যানেলের অনুসন্ধানে দেখা গেছে, অভিযুক্ত সময়ে ক্লাবটির স্পনসর আয়ের প্রায় ৮৭.৫ শতাংশই ছিল ভুয়া চুক্তির আড়ালে। প্রকৃতপক্ষে স্পনসরদের কাছ থেকে ১২ কোটি পাউন্ড পেলেও তারা কাগজপত্রে তা ৯৫ কোটি পাউন্ড হিসেবে দেখিয়েছিল। অর্থাৎ, প্রতি ১০০ টাকা আয়ের ৮৭ টাকা ৫০ পয়সাই ছিল মালিকপক্ষের সরাসরি জোগান দেওয়া অর্থ।