
মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান উত্তপ্ত পরিস্থিতিতে দ্রুত যুদ্ধ বন্ধের লক্ষ্যে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানকে অবিলম্বে একটি শান্তি চুক্তিতে পৌঁছানোর আহ্বান জানিয়েছে কাতার। দেশটির প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী শেখ মোহাম্মদ বিন আবদুল রহমান আল থানি জোর দিয়ে বলেছেন, পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করার আগেই দুই পক্ষকে সমঝোতার পথে আসতে হবে। সঠিক সময়ের জন্য অপেক্ষা করার মতো বিলাসিতা করার সুযোগ এখন আর নেই বলেও তিনি সতর্ক করেছেন।
শনিবার (৭ নভেম্বর) যুক্তরাজ্যের অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে এক সাক্ষাৎকারে এ আহ্বান জানানোর পর থেকেই কূটনৈতিক তৎপরতা নিয়ে বিশ্বজুড়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। কাতারের এই প্রচেষ্টাকে সংঘাত নিরসনের একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। আলোচনার অগ্রগতির বিষয়ে দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মাজেদ আল-আনসারি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে জানিয়েছেন, দোহা দুই পক্ষকেই চুক্তির টেবিলে আনতে নিবিড় যোগাযোগ বজায় রেখে চলছে।
শান্তি আলোচনা বাধাগ্রস্ত করতে বিভিন্ন অপপ্রচার চালানো হচ্ছে উল্লেখ করে মাজেদ আল-আনসারি বলেন, এই ধরনের বিভ্রান্তিকর তথ্য কেবল তাদেরই স্বার্থ রক্ষা করে যারা যুদ্ধ জিইয়ে রাখতে চায়। তিনি স্পষ্ট করেন যে, শান্তি স্থাপনের লক্ষ্যেই কাতার তাদের কূটনৈতিক প্রচেষ্টা অব্যাহত রেখেছে।
এদিকে, কাতারের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে টেলিফোনে কথোপকথনের পর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে আলোচনার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, চলমান সংঘাতের অবসান ঘটাতে দুই দেশের প্রতিনিধিরা বর্তমানে আলোচনায় যুক্ত রয়েছেন। তবে এই সম্ভাব্য চুক্তির সুনির্দিষ্ট শর্তাবলি, আলোচনার বিস্তারিত অগ্রগতি কিংবা কত দ্রুত এই সমাধান আসতে পারে—সে বিষয়ে কোনো পক্ষই এখনো বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করেনি।





