
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে অংশগ্রহণের উদ্দেশ্যে আগামী ২১ সেপ্টেম্বর সোমবার নিউইয়র্ক সফরে আসছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সরকারপ্রধান হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর এটিই তাঁর প্রথম যুক্তরাষ্ট্র সফর। একইসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে প্রথমবারের মতো জাতিসংঘের উচ্চপর্যায়ের এই অধিবেশনে ভাষণ দেবেন তিনি। তারেক রহমানের এই সফর এমন এক সময় অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে যখন বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন। গত ২ জুন অনুষ্ঠিত নির্বাচনে ৯৯ ভোট পেয়ে তিনি সভাপতি নির্বাচিত হওয়ার পর গত ৮ সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে এই অধিবেশন শুরু হয়েছে। এর মাধ্যমে প্রায় চার দশক পর বাংলাদেশ আবারও জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের নেতৃত্ব দিচ্ছে।
প্রধানমন্ত্রী হিসেবে এটি তারেক রহমানের প্রথম যুক্তরাষ্ট্র সফর হলেও, ব্যক্তিগতভাবে যুক্তরাষ্ট্রে তাঁর সর্বশেষ সফরের অভিজ্ঞতা ছিল ২০০৫ সালের। এবারের সফরসূচি অনুযায়ী, আগামী ২১ সেপ্টেম্বর সোমবার ঢাকা থেকে রওনা হয়ে তিনি ২৬ সেপ্টেম্বর শনিবার পর্যন্ত নিউইয়র্কে অবস্থান করবেন। এই সময়ের মধ্যে অত্যন্ত ব্যস্ত সময় কাটাবেন সরকারপ্রধান। সফরসূচি অনুযায়ী, আগামী ২৪ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে তাঁর গুরুত্বপূর্ণ ভাষণ প্রদানের কথা রয়েছে।
সফরে প্রধানমন্ত্রীর সফরসঙ্গী বা প্রতিনিধিদলের আকার এবার তুলনামূলকভাবে ছোট রাখা হয়েছে। সর্বশেষ পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, নিরাপত্তা কর্মকর্তাসহ তাঁর সফরসঙ্গীর মোট সংখ্যা প্রায় ৪০ জন। এর আগে জুলাই মাসে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সূত্র উদ্ধৃত করে গণমাধ্যমে জানানো হয়েছিল যে, প্রতিনিধিদলের সদস্যসংখ্যা ৩৫ জনের বেশি হবে না। তবে নিউইয়র্ক ও ওয়াশিংটন ডিসির দায়িত্বশীল সূত্রগুলো থেকে প্রাপ্ত সর্বশেষ প্রতিবেদন অনুযায়ী, নিরাপত্তা দলের সদস্যসহ মোট সংখ্যাটি ৪০-এর কাছাকাছি পৌঁছাবে বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: এর আগে জুলাই মাসে প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরের সংশ্লিষ্ট সূত্রের বরাতে বিভিন্ন গণমাধ্যম জানিয়েছিল, তাঁর সফরসঙ্গী প্রতিনিধিদলের সদস্যসংখ্যা ৩৫ জনের বেশি হবে না। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: এখন পর্যন্ত সরকারিভাবে সফরসঙ্গীদের পূর্ণাঙ্গ তালিকা প্রকাশ করা হয়নি। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: জাতিসংঘে ভাষণের পাশাপাশি বিশ্বনেতাদের সঙ্গে তাঁর একাধিক বৈঠকের পরিকল্পনা রয়েছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: সেখানে তিনি বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক উত্তরণ, নতুন সরকারের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ‘নতুন বাংলাদেশ’-এর দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরবেন। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: একই সঙ্গে বৈশ্বিক শান্তি, টেকসই উন্নয়ন, জলবায়ু ও রোহিঙ্গা সংকটসহ বিভিন্ন বিষয় তাঁর বক্তব্য ও বৈঠকে গুরুত্ব পেতে পারে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: এবার তাঁর সফরকে ঘিরে নিউইয়র্কের বাংলাদেশি কমিউনিটিতেও ব্যাপক আগ্রহ তৈরি হয়েছে।





