৪ আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

১৭ দিনে বিদেশে পাড়ি দিলেন ৪০ হাজারেরও বেশি কর্মী

Published: September 19, 2026, 11:35 am

চলতি সেপ্টেম্বর মাসের প্রথম ১৭ দিনে মোট ৪০ হাজার ৫৯৩ জন বাংলাদেশি কর্মী কাজের সন্ধানে বিদেশে পাড়ি জমিয়েছেন। গত বছরের একই সময়ে এই সংখ্যা ছিল ৫৯ হাজার ৩২ জন। চলতি বছরের ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল ও ইরান সংকট শুরু হলে মার্চের দিকে জনশক্তি রপ্তানি উল্লেখযোগ্য হারে কমে ৪৪ হাজার ৬০০ জনে নেমে এসেছিল। তবে সেই পরিস্থিতি কাটিয়ে এখন বৈদেশিক কর্মসংস্থানের চিত্রটি আবারও ইতিবাচক ধারায় ফিরছে।

প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, বরাবরের মতোই বাংলাদেশি কর্মীদের পছন্দের শীর্ষে রয়েছে সৌদি আরব। সেপ্টেম্বর মাসের প্রথম ১৭ দিনে একক দেশ হিসেবে দেশটিতে সর্বোচ্চ ২০ হাজার ৩৪১ জন কর্মী পাড়ি দিয়েছেন। তালিকায় দ্বিতীয় অবস্থানে থাকা সিঙ্গাপুরে গিয়েছেন ৪ হাজার ৫৮১ জন। এছাড়া কাতার ৩ হাজার ৮৫৬ জন, মালদ্বীপ ২ হাজার ৬০১ জন এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতে ২ হাজার ৫৬০ জন বাংলাদেশি কর্মী কান্ট্রি ক্লিয়ারেন্স নিয়ে পৌঁছেছেন।

অন্যান্য গন্তব্যের মধ্যে কুয়েতে ২ হাজার ২২১ জন, পর্তুগালে ৬৩৮ জন, ইতালিতে ৬১৭ জন, লাওসে ৩৯৩ জন এবং জর্ডানে ২৯৪ জন কর্মী গেছেন। এছাড়াও লেবাননে ২২৩, মরিশাসে ২১২, গ্রিসে ২০৫, ফিজিতে ১৯৩ এবং ভিয়েতনামে ১৭৪ জন বাংলাদেশি কর্মী কর্মসংস্থানের সুযোগ পেয়েছেন।

উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বর মাসের প্রথম ১৭ দিনেও জনশক্তি রপ্তানিতে শীর্ষ অবস্থানে ছিল সৌদি আরব, যেখানে তখন ৩৭ হাজার ২৭৩ জন কর্মী গিয়েছিলেন। সেই সময়ে তালিকায় দ্বিতীয় অবস্থানে থাকা কাতারে ৬ হাজার ১৯৩ জন এবং তৃতীয় স্থানে থাকা সিঙ্গাপুরে ৪ হাজার ৬৫ জন কর্মী পাড়ি জমিয়েছিলেন। এছাড়া আগের বছর মালদ্বীপে ২ হাজার ৭১১, কুয়েতে ১ হাজার ৩৪৫, কম্বোডিয়ায় ১ হাজার ২৩০, সংযুক্ত আরব আমিরাতে ১ হাজার ৯, ইতালিতে ৯৮৯, জর্ডানে ৭২১, ইরাকে ৪৫২, রাশিয়ায় ৩৪৯, সাইপ্রাসে ৩৩৮, লাওসে ২৮৯, সার্বিয়ায় ২৭৪ এবং কঙ্গোতে ২৭১ জন কর্মী বিদেশে কর্মসংস্থানের সুযোগ পেয়েছিলেন। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: চলতি ২০২৬ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল ইরানে হামলা শুরু করলে পুরো মার্চ মাসে জনশক্তি রপ্তানি কমে ৪৪ হাজার ৬০০-তে নামে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: গত বছরের একই সময়ের তুলনায় এ সংখ্যা কিছুটা কম হলেও মধ্যপ্রাচ্যের সাম্প্রতিক যুদ্ধ পরিস্থিতিতে জনশক্তি রপ্তানিতে যে বড় পতন ঘটেছিল, যা কাটিয়ে আবারও গতি ফিরছে বৈদেশিক কর্মসংস্থানে।