
নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ উপজেলায় ২০২৬ সালের এইচএসসি, আলিম ও এইচএসসি (ব্যবসায় ব্যবস্থাপনা) পরীক্ষায় বড় ধরনের ফলাফল বিপর্যয় ঘটেছে। উপজেলার ২৫টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে মোট ২ হাজার ৩৭৪ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিলেন। এর মধ্যে ৯৩৫ জন উত্তীর্ণ হলেও ১ হাজার ৩৩৯ জন ফেল করেছেন। প্রাপ্ত ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা গেছে, অংশগ্রহণকারী ২৫টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে দুটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কোনো শিক্ষার্থীই পাস করতে পারেননি।
অকৃতকার্য হওয়া প্রতিষ্ঠান দুটি হলো ভেড়ভেড়ী মাঝাপাড়া স্কুল অ্যান্ড কলেজ ও নয়ানখাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ। এর মধ্যে ভেড়ভেড়ী মাঝাপাড়া স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে ৫১ জন এবং নয়ানখাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে ৩ জন পরীক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিলেন। এই ৫৪ জন পরীক্ষার্থীর কেউই পাস করতে পারেননি। উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার আশরাফ উজ জামান সরকার স্বাক্ষরিত ফলাফল প্রতিবেদনে এই চিত্র উঠে এসেছে। এতে দেখা যায়, ওই দুটি কলেজ থেকে ৫৪ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিলেও তাদের সবাই অকৃতকার্য হয়েছেন।
এ ধরনের বিপর্যয়ের কারণ ব্যাখ্যা করতে গিয়ে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার আশরাফ উজ জামান সরকার জানান, কলেজ দুটি এমপিওভুক্ত না হওয়ায় শিক্ষকদের নিয়মিত উপস্থিতি নিশ্চিত করা কঠিন হয়ে পড়ে। একই সঙ্গে শিক্ষার্থীদের নিয়মিত ক্লাস বিমুখতা এবং গ্রামীণ প্রেক্ষাপটে অবস্থিত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান হওয়ায় সামগ্রিক পাঠদান ও ফলাফল এ ধরনের পরিস্থিতির শিকার হয়েছে বলে তিনি মনে করছেন। এছাড়া শিক্ষার্থীদের ক্লাস ফাঁকি দেওয়া এবং গ্রামীণ এলাকাভিত্তিক প্রতিষ্ঠান হওয়াই এমন ফলাফল বিপর্যয়ের প্রধান কারণ হতে পারে।





