
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প আগামী ৩ নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচনের পর ইরানে সম্ভাব্য সামরিক অভিযানের একটি সময়সীমা নিয়ে ভাবছেন। তবে মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি বিশ্লেষকরা মনে করছেন, পরিস্থিতি প্রতিকূলে থাকলে নির্বাচনের আগেই তেহরান আগাম হামলার সিদ্ধান্ত নিতে পারে। ওয়াশিংটনভিত্তিক থিংকট্যাংক ‘ফাউন্ডেশন ফর ডিফেন্স অব ডেমোক্রেসি’-এর নির্বাহী পরিচালক জনাথন শ্যানজার এমন আশঙ্কার কথা জানিয়েছেন।
জনাথন শ্যানজারের মতে, যদি ইরান মনে করে যে যুক্তরাষ্ট্রের হামলা আসন্ন, তবে তারা বসে থাকবে না। তিনি প্রশ্ন তুলেছেন, কৌশলগত সুবিধা অর্জনের সম্ভাবনা থাকলে ইরানের নেতারা কেন নির্বাচনের পর পর্যন্ত অপেক্ষা করবেন? এদিকে ইরানে সামরিক অভিযানের বিষয়টি মার্কিন রিপাবলিকান দলের প্রার্থীদের জন্য বড় রাজনৈতিক চাপের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। যুদ্ধের প্রভাবে জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধিতে মার্কিন ভোটারদের মধ্যে ক্ষোভ বাড়ছে, যা বিশ্ব অর্থনীতিকেও প্রভাবিত করছে। পেন্টাগনের সর্বশেষ তথ্যমতে, ইরানের বিরুদ্ধে চলমান এই যুদ্ধে মার্কিন করদাতাদের ব্যয় বেড়ে ৪৭১০ কোটি ডলারে পৌঁছেছে।





